Skip to content

অস্তিত্বহীন মৃত্যু বা অমরত্ব

সেপ্টেম্বর 8, 2012

অ্যামেজিং স্পাইডার ম্যান দেখলাম…ভালা লাগেনাই
আগের নায়কটাই(নাম বলতে পারতেছিনা,গুগ্লাইতে হইবে) পাবলিক খাইসে,আমিও খাইছি। আগের নায়কটা বিশেষ কিছু ইমোশনাল সিন গুলাতেও ভালো করছিল,নতুনটারে দেইখা মনে হইল ১৭ বছর একষট্টি দিনের আশরাফুল যে সবচেয়ে কমবয়সী টেস্ট খেলোয়াড় হিসেবে সেঞ্চুরি মারে আজকের দিনে…কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা নতুনত্ব পছন্দ করিনা। পিতারাও নতুনত্ব পছন্দ করেনা। সন্তানের জন্য নেয়া সিদ্ধান্ত গুলা তার নিজের সময় বিবেচনা করে নিয়ে থাকেন। তবে পরিবর্তন আসছে,আসতেই হবে। আশার বাণী শুনাচ্ছি। কবি সাহিত্যিকরা হতাশার মধ্যে আশাও দেখান। আবার এমনও দেখা যাচ্ছে কবি হতাশায় মগ্ন হয়ে সভ্যতায় সর্শেফুল দেখছেন

একান্ত অনাস্থা গাঢ় মনেতে আমার
আস্থা নেই সৌন্দর্যে,আশ্বাসে,প্রত্যাশায়
আস্থা নেই মথিত হৃদয়াবেগে
আস্থা নেই আলোতে যৌবনে

চিন্তার বিবর্তন চলছে। আমদের সবারই এই বিবর্তন ঘটে থাকে। যে মানুষের চিন্তার কোন বিবর্তন ঘটে না তিনি মানসিকভাবে বিকলাঙ্গ। চিন্তার বিবর্তন বলতে কি বুঝাচ্ছি? আমাদের জীবনের শুরু থেকেই পরিবার একটা কাঠামো তৈরি কইরা দেয় যে তোমারে এভাবে চলতে হবে,এভাবে করতে হবে। পরিবার এই শিক্ষা দেয়। পরিবারের এই শিক্ষাটা কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না। যে পরিবারে কেউ পড়ালেখা করেনাই তারাও সন্তানরে ভালো মন্দের শিক্ষা দিতে সক্ষম।

আমার ছেলেরে বেশিদিন পড়ামুনা। মেট্রিক পর্যন্ত পড়াই আল্লার নাম লই বিদেশ পাঠাই দিমু
ইহা একজন রিকশা চালকের মুখে উচ্চারিত দুইখান বাক্য। এই শ্রেণিটার জীবন চালিত হচ্ছে আয় কেন্দ্রিক।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত কোন পিতার চিন্তাও তার সন্তানের জন্য হবে আয় কেন্দ্রিক। সমাজে উচু শ্রেণী বলে একটা কথা আছে,আমি তাদের সম্পর্কে শুনেছি কিন্তু দেখিনি। দেখিনি কারন এই উচু শ্রেণিটার সাথে মেশার অভিজ্ঞতা হয়নাই। উচু শ্রেণী কিসের ভিত্তিতে উচু? -অর্থ। অত্যন্ত হাস্যকর একটা শব্দ। ঢাবির একজন প্রফেসর যদি দোচালা টিনের টিনের ঘর বানাই বসবাস করে তখন তারে কিন্তু আমরা উচু শ্রেণীর লোক বলিনা…শ্রেণীর ট্যাগ দেয়ার ক্ষেত্রেও আমরা শ্রেণী বৈষ্ণম্য করে থাকি। মানে আমরা যে বলি এইটা মধ্যবিত্ত বা এরা উচু শ্রেণীর লোক এই নামকরনেও আমরা মানসিক দীনতায় ভুগছি

আমাগো কথিত উঁচা শ্রেণী গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করে,যেহেতু তারা উঁচুতে উঠছে তাগোরে নিচে নামানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। সুযোগের সন্দানে আছি। একবার হরতালে দিলাম একটা গাড়ী জ্বালাইয়া। লাভটা কি হইল? সেই গাড়ীর নাকি ইন্স্যুরেন্স করা ছিল। উঁচা উঁচাই রইল। :((

চিন্তার বিবর্তনটা ঘটায় তথ্য। আমাদের তথ্য ভান্ডার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই তথ্যগুলা আমরা জানছি। এখনো পর্যন্ত যত তথ্য জমা হয়েছে তা দিয়ে আরও কয়েক হাজার বছর শুদ্ধভাবে বাঁচতে পারি। মানুষ শুদ্ধতা চায়না বলেই জ্ঞান থেকে দূরে থাকে। জ্ঞানের সীমা নাই তাই তথ্য কাউরে একক সিদ্ধান্ত নিতে দেয়না। এই কথাটা যেকোন ব্যাপারে প্রযোজ্য। কোনলোক যদি বলে আল্লা আছে আমি তার সাথে কথা বলার আগ্রহ হারাই ফেলি। আবার কোন লোক যদি বলে আল্লা নাই তখনো ব্যাক্তিটির সাথে কথা বলার আগ্রহ থাকেনা। কারন ২ ব্যাক্তির চিন্তার বিবর্তন থাইমা গেছে,তারা উভয়েই মানসিকভাবে বৃদ্ধ,মৃত।

তাহলে কি আমরা যেকোন ব্যাপারে একক সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা? পারি কিছু ক্ষেত্রে। যেমন গণিত,পদার্থবিদ্যা।

যেহেতু পদার্থ বিদ্যার কোন সুত্র আপনার সাধারণ জীবনে কাজে লাগাতে পারছেন না তাই জীবন পদ্ধতি অনুসরণের কোন সংজ্ঞায়িত কোন পদ্ধতি নাই। নাই বলে আসবেনা এমন হতাশার বাণী শুনাব না। আমি এখানে আশাবাদী নই। এরকম কোন স্বতঃসিদ্ধ জীবন পদ্ধতি থাকা সম্ভব নয় কারন ‘সমস্যা’। নতুন নতুন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে জীবনের ট্রামে। আমাদের করণীয় হল স্বতঃসিদ্ধার সন্দান করা। আমরা যে কোন ক্ষেত্রে চেষ্টা করতে পারি আরেকটু ভাল,আরেকটু মঙ্গল,আরকটু মহৎ কোন সিদ্ধান্ত নিতে। ভাল মঙ্গল আর মহৎ এর সমষ্টি স্বতঃসিদ্ধতার পথ

Advertisements

From → দর্শন

মন্তব্য করুন

কিছু বলেন...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: